• শিরোনাম

    ময়নামতিতে মসজিদের সড়ক দখল ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    অনলাইন ডেস্ক : | শুক্রবার, ০৬ এপ্রিল ২০১৮

    ময়নামতিতে মসজিদের সড়ক দখল ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি সমেষপুর গ্রামে জামে মসজিদের সরকারী রাস্তায় মুসুল্লিদের চলাচলে বাঁধা প্রদানসহ সড়ক দখলের পায়তারা এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকাবাসীকে হয়রানীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন, গণস্বাক্ষর প্রদান ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে স্থানীরা।বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় ময়নামতি সমেষপুর সড়কে গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, স্থানীয় এলাকাবাসী প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।

    সমেষপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ময়নাল হোসেন ফকির, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শামসুল আলম খান, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ লেয়াকত আলী চৌধুরী, মোঃ শফিকুর রহমান চৌধুরী, আজাদ চৌধুরী, ইউপি সদস্য আবু নাছের শামীম , আব্দুল মালেক, আনোয়ার হোসেন, এরশাদ মিয়া সহ এলাকার আরে অনেকে।তারা জানান স্থানীয় সমেষপুর গ্রামের মামলাবাজ আব্দুল জলিল মাষ্টার সরকারী সড়ক দখল করে মুসুল্লিদের মসজিদে যাতায়াতের পথ অবোরধ করছেন। প্রতিবাদ করায় উল্টো এলকার নিরিহ ৬জন কে আসামী করে আদালতে মামলা করেন। গ্রামবাসী জানায়, পাকা সড়ক থেকে মধ্যপাড়া জামে মসজিদে যাতায়াতের সড়কটি ২৪ফুট প্রশস্ত। আর এস, বিএস গেজেটে সড়কের ম্যাপ ও দেখান তারা।রাস্তাটির উভয় পার্শে জলিল মাষ্টারের কেনা জমীর সাথে সড়কটির অবস্থান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির অর্ধেকের বেশী দখল করে রেখেছেন। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার এবং বর্তমান চেয়ারম্যান লালন হায়দার সড়কটি মাপঝোপ করেন। এবং সকলের উপস্থিতিতে ৬ফুট জায়গা ছেড়ে দিয়ে ১৮ফুট নির্ধারণ করে পিলার বসিয়ে দেন। এরপরেও অভিযুক্ত জলিল মাষ্টার রাস্তাটি আরো ৭/৮ফুট দখল করার পায়তারা করছেন। সড়কের ওপরে একটি অংশে সেকান্দর আলী ফকির এর একটি মাজার রয়েছে।

    প্রতি বছর মাজারে উরুস হয়ে আসছে দীর্ঘদিন জাবত। এই মাজারটি দখলের চেষ্টা করছেন বলেও জানান উপস্থিত সকলে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত মাজার ও সড়ক দখলের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। মানববন্ধন শেষে এলাকার প্রায় সারে ৬শত নারীপুরুষ জলিল মাষ্টারের মামলার বিরুদ্ধে গণসাক্ষর করেন। স্থানীয়রা মামলাবাজ ও দখলদার জলিল মাষ্টারের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা গ্রহন ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে জন্য প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    এবিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান লালন হায়দার বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার সামাজিক ভাবে সমঝোতা করা হয়েছে। তবুও কেন নিরিহ লোকজনের নামে মামলা করেছেন তা বোধগম্য নয়। এলাকাবাসী মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও গণসাক্ষর করেছেন বলে জানতে পেরেছি।

    এবিষয়ে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবু মনোজ কুমার দে বলেন, মানবন্ধনে বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে কেউ লিখিত ভাবে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ করে নি

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে onusondhanbd24.com